লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের একুশের অনুষ্ঠানে বক্তারা
তরুণ প্রজন্মকে বাংলার প্রতি আকৃষ্ট করতে
তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ভূমিকা বাড়াতে হবে
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ‘প্রবাসে বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, দেশে-বিদেশে তরুণ প্রজন্মকে বাংলার প্রতি আকৃষ্ট করতে হলে বাংলা ভাষায় মূল্য সংযোজন করতে হবে। এর একটা কার্যকর ও ভালো উপায় হচ্ছে- এই ভাষার উপযোগিতা বৃদ্ধির জন্য তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলার ভূমিকা বাড়ানো বা কার্যকর করে তোলা। আর বিশেষ করে বিলেতে বাংলা ভাষা টিকিয়ে রাখতে হলে নতুন প্রজন্মকে বাংলা শেখাতে হবে । দুইভাবে এই কাজটি করতে হবে। প্রথমতঃ মা-বাবাদেরকে ঘরে সন্তানের সঙ্গে বাংলায় কথা বলতে হবে এবং দ্বিতীয়তঃ বিলেতের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকার স্কুলগুলোর পাঠ্যসূচীতে বাংলা ভাষার অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করতে হবে ।
প্রাণবন্ত আয়োজনে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত: বাংলাপাড়ায় নিজস্ব অফিসভবন ক্রয়ের প্রত্যাশা
প্রাণবন্ত আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৩ । লন্ডন ও বার্মিংহ্যামসহ বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আগত বিপুলসংখ্যক সদস্যের স্বতঃষ্ফুর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সাধারণ সভায় টাওয়ার হ্যামলেটসের ‘বাংলাপাড়া’য় ক্লাবের জন্য একটি নিজস্ব ভবন ক্রয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২।
গত কাল ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার পূর্ব লন্ডনের মাইল এন্ড স্টেডিয়ামের পিচে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো উৎসবমুখর পরিবেশে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ । এই টুর্নামেন্টে চ্যানেল এস চ্যাম্পিয়ন এবং ওয়ানবাংলা ফ্রেন্ডস ইউনাইটেড রানার আর্প হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
সকাল ১১.০০টা থেকে খেলোয়াররা মাঠে আসেন। ১১.৩০ সকল টিমের সামনে খেলার ব্রিফিং তুলে ধরেন টুর্নামেন্ট ম্যানেজমেন্ট ৫০ এক্টিভ ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আনফর আলি। দুপুর ১২.০০টায় দুইটি পিচে খেলা শুরু হয়।
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভায় রোজিনা ইসলাম : আমার জীবনে সকলের অবদান স্মরনীয় হয়ে থাকবে
লন্ডন, ২০ মে ২০২২: ‘সেরা অদম্য সাংবাদিক’ হিসেবে আন্তর্জতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রোজিনা ইসলাম বলেছেন, বৃটেনের বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকসহ যারাই আমার জন্য প্রতিবাদ করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যখন আমি আক্রান্ত হই, তখন দেশের সব স্তরের মানুষের পাশাপাশি বৃটেনের বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন।
একইভাবে গত একবছর চেনা, অচেনা যারা আমাকে সাহস যুগিয়েছেন, পাশে থেকেছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, আমার জন্যে রাস্তায় নেমে বা সামাজিক মাধ্যমে একটি শব্দও উচ্চারণ করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই । দুঃসহ দিনগুলোতে আমার ও আমার পরিবারের প্রতি যে সহমর্মিতা আপনারা দেখিয়েছেন আমি অভিভূত, আপ্লুত, কৃতজ্ঞ। এই ঋণ শোধ হবার নয়। আপনাদের বড়ত্বকে সম্মান জানাই, কুর্নিশ করি। আপনারা সকলে আমার ভালোবাসা নিবেন।”
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের স্মরণসভায় হাইকমিশনার আবদুল গাফফার চৌধুরীর সৃষ্টিকর্ম ধরে রাখতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে
যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেছেন, প্রখ্যাত সাংবাদিক মরহুম আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সৃষ্টিকর্ম ধরে রাখতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
১৯ মে রোববার সন্ধ্যায় পূর্ব লন্ডনের ব্রাডি আর্টস সেন্টারে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত গাফ্ফার চৌধুরীর স্মরণসভায় স্মৃতিচারণকালে তিনি এ কথা বলেন।
লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাব সভাপতি ও সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদক এমদাদুল হক চৌধুরী।
স্মৃতিচারণকালে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর একটি অন্যরকম সম্পর্ক ছিল। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তিনি সবসময় আপোসহীন ছিলেন। রাষ্ট্রীয় খরচে আবদুল গাফফার চৌধুরী যুক্তরাজ্যে এসেছিলেন এবং রাষ্ট্রীয় খরচে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। মৃত্যুর পর বাংলাদেশে মরদেহ প্রেরণে প্রয়োজনীয় সবকিছু করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন। তাঁর স্মৃতিতে ‘ আবদুল গাফফার চৌধুরী ফাউন্ডেশন’ ও তাঁর লন্ডনের বাড়িটিকে মিউজিয়ামে রূপান্তরিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সে ক্ষেত্রে তিনি লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সহযোগিতা কামনা করেন ।
প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে হাইকমিশনারের মতবিনিময় : এনআইডি কার্ডের জন্য নাম নিবন্ধন করতে প্রবাসীদের প্রতি আহবান
লন্ডন, ১৮ মে ২০২২: লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদা মোনা তাসনিম এনআইডি কার্ডের জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে নাম নিবন্ধন করতে প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা যাতে এখানে বসেই তাদের এনআইডি কার্ড পেতে পারে সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সাথে তাঁর দফায় দফায় কথা চলছে । কমিশন যুক্তরাজ্যপ্রবাসীদেরকে তাঁদের নাম রেজিস্ট্রি করতে আহবান জানিয়েছে । ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৬শ প্রবাসী তাদের নাম রেজিস্ট্রি করেছেন । যারা নাম রেজিস্ট্রি করবেন তাঁরাই সকলের আগে কার্ড পাবেন । নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা যুক্তরাজ্যে আসবেন এবং লন্ডন, বার্মিংহ্যাম ও মানচেষ্টারে অস্থায়ী অফিস স্থাপন করে কার্ডগুলো প্রদান করবেন । তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে “অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর এনআরবি” নামে একটি পোর্টাল আছে। প্রবাসীদের প্রতি আমাদের আহবান, আপনারা যত বেশি বেশি পারবেন পোর্টালে গিয়ে নাম নিবন্ধন করবেন। এতে কিছু ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্ট একবারে আপলোড করা সম্ভব না হলে সেগুলো সংগ্রহ করে আপলোড করবেন । সবগুলো ডকুমেন্ট আপলোড হয়ে গেলে তারা আপনাকে ভোটার হিসেবে রেজিস্ট্রি করে নেবে । আর রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা যখন যুক্তরাজ্যে আসবেন তখন আপনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এনআইডি কার্ড পেয়ে যাবেন। এ ব্যাপারে হাইকমিশনরে কনসুলার সেকশনে যোগাযোগ করলেও বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেয়া হবে ।
সাইদা মোনা তাসনিম গত ১৭ মে মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনফারেন্স রুমে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত আহবান জানান । হাইকমিশনার প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সম্মানে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন । তিনি এসময় প্রবাসীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
হাইকমিশনার বলেন, ব্রিকলেনের ওয়েলফেয়ার সেন্টারটিতে একসময় কনস্যূলার সেবা দেয়া হতো । কিন্তু আজানা কারণে প্রায় ১০ বছর এই সার্ভিস বন্ধ ছিলো । তবে গত বছরের শেষ দিক থেকে আমরা আবারও সার্ভিস শুরু করেছি। গত নভেম্বর ও জানুয়ারিতে দুইটি কনসুলার ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে । আগামী জুলাই মাসে আরো একটি সার্জারি অনুষ্ঠিত হবে। এই সার্ভিস আমরা অব্যাহত রাখবো । তিনি বলেন, কনসুলার সার্ভিস শুরু করার পর ব্যাপক সাড়া মেলেছে। আমরা চাই কমিউনিটির মানুষের দোরগোড়ায় আমাদের সেবা পৌঁছে দিতে।
হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেকশনকে আরো সম্প্রসারণ করে কীভাবে প্রবাসীদের জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো যায়-এমন প্রশ্নের জবাবে সাইদা মোনা তাসনিম বলেন, তিনি হাইকমিশনার নিযুক্ত হয়ে লন্ডন আসার দুইদিনের মাথায় হাইকমিশন ভবনের প্রতিটি বিভাগ সরেজমিন ঘুরে দেখেন। গ্রাউন্ডফ্লোরের পাসপোর্ট সেকশনে গিয়ে দেখেন সেখানকার অবস্থা খুবই নাজুক। কনসুলার সেবা গ্রহণে প্রবাসী বাংলাদেশীদের যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনী সেবাদাতা কর্মকর্তাদেরও অসুবিধা হচ্ছে। কারণ পাসপোর্ট সেকশনটি একেবারেই সংকীর্ণ এবং অপরিচ্ছন্ন। তাই তাৎক্ষনিকভাবে মন্ত্রনালয়ের সাথে কথা বলে বরাদ্দ এনে পাসপোর্ট সেকশনের আধুনিকায়নে কাজ করেন। এখন আগের চেয়ে অনেক স্বাচ্ছন্দে মানুষ সার্ভিস নিতে পারছে। তবে জায়গাটি সংকীর্ণ। এটি আরো সম্প্রসারিত হওয়া দরকার । তিনি বলেন, আমরা হাইকমিশন ভবনের লাগোয়া একটি নতুন প্রোপার্টি প্রায় ৩ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে ক্রয় করে নিতে সক্ষম হয়েছি। সেখান থেকে এখন পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়া হয় । তাছাড়া যারা পাসপোর্ট কিংবা নো-ভিসার প্রয়োজনে আসেন তাদের জন্য নতুন প্রোপার্টিতে আমরা ওয়েন্টি রুম রেখেছি । কাউকে এখন আর বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে মেঘ বৃষ্টি খেতে হচ্ছেনা। আমরা আমাদের সাধ্যমতো প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের চেষ্টা করছি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদক মুহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী, জেনারেল সেক্রেটারি ও সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, ট্রেজারার সালেহ আহমদ, এসিসটেন্ট ট্রেজারার মোঃ আব্দুল কাইয়ূম, মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান, ইভেন্ট এন্ড ফ্যাসিলিটিজ সেক্রেটারি রেজাউল করিম মৃধা, নির্বাহী সদস্য আহাদ চৌধুরী বাবু, নির্বাহী সদস্য সারওয়ার হোসাইন, নির্বাহী সদস্য শাহনাজ সুলতানা ও আলোকচিত্রী খালেদ হোসাইন।
হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেস মিনস্টার আশিকুন্নবী চৌধুরী, মিনিস্টার কনসুলার মোঃ মঈন খান, কাউন্সিলর মৌমিতা জিনাত ও প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।
বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার স্বাধীন মাতৃভূমিতে পা রাখার আগে, ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে ঐতিহাসিক সফর
৩১মার্চ, লন্ডনঃ বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার স্বাধীন মাতৃভূমিতে পা রাখার আগে, ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে ঐতিহাসিক সফর এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে তার বৈঠক করার মাধ্যমে একটি নতুন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন এবং তা একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভকে ত্বরান্বিত করেছিল। আর গত পঞ্চাশ বছরে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে বড় ভূমিকা পালন করছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা। লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম।
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের একুশের আলোচনায় বক্তাদের অভিমত: সন্তানদের বাংলা শেখাতে মা-বাবাদেরকেই মুখ্য ভুমিকা পালন করতে হবে
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব আয়োজিত একুশে ফেব্রুয়ারির আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, প্রবাসে মাতৃভাষা চর্চা আরও সুদৃঢ় করতে এবং মাতৃভূমির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মেলবন্ধন তৈরি করতে ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম । বাঙালি পরিবারে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি চর্চায় নিবিড় মনোযোগ ছেলে–মেয়েদের মেধা বিকাশের জন্যও বিশেষ সহায়ক।
লণ্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
লণ্ডন, ১২ ফেব্রুয়ারী: লণ্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ১১ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ব লণ্ডনের প্রিন্সলেট স্ট্রীটে অবস্থিত ক্লাব কার্যালয়ে পুর্ননির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরীকে নিয়ে নতুন কমিটির পক্ষে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাধারণ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ এবং কোষাধ্যক্ষ সালেহ আহমদ। এই কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।











